স্থির লক্ষ্য ও নিরবিচ্ছিন্ন কর্ম সম্পাদন

ভিতরের অস্থিরতা এবং বাইরে নিয়মিত ঘটে যাওয়া সমগ্র বিষয় বস্তুর প্রভাব থেকে নিজেকে অক্ষত রাখতে পারলে তবেই আমাদের সফলতা আসবে। এর জন্য প্রয়োজন শারিরীক সুস্থতা, মানিসিক দৃঢ়তা এবং নির্মল স্বভাব। আর এর চেয়েও এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পরমাত্মার সাথে নিবির ঘনিষ্টতা। কারণ স্বয়ং আপনি ও বিশ্ব ব্রহ্মান্ড যদি একই সিদ্ধান্তে কর্ম না করেন তবে কোন কিছুরই ফলাফল ঘটবে না।

আমি আত্মা আমার প্রকৃতি বা স্বভাবের সাথে অতি ঘনিষ্ট ভাবে জড়িত। এই স্বভাব তার গুন বশতঃ অন্তকরণকে নির্ণয় করে কর্মের ক্ষেত্রকে প্রশস্ত করে। আমার মন,বুদ্ধি ও চিত্ত সেই রূপে শরীরকে কর্মে নিয়জিত করে তা সমাপ্ত করে। সুতরাং প্রকৃতি, অন্তকরণ ও শরীরকে একই সূত্রে কর্ম করার জন্য প্রস্তুত করতে হবে।

আমার সমস্ত শারিরীক সত্ত্বা কর্মের জন্য শুধু প্রস্তুত থাকলেই যথেষ্ঠ নয়, যে বিশ্ব ব্রহ্মান্ডে আমরা বসবাস করছি তার অনুমতি একান্ত প্রয়োজন। তাই তাঁর সাথে যুক্ত সদাই থেকেই কর্ম করার প্রয়াস পেতে হবে। তবেই কর্ম করার প্রচেষ্টা সফল হবে।

ওম

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top