শ্রী রাম মন্দির, করসেবক ও পাকিস্তান

মর্যদা পুরুষোত্তম ভগবান শ্রী রাম চন্দ্রর মন্দিরে ধ্বজা আরোহনের মাধমে নতুন যুগের সূচনা হলো। অযোধ্যা থেকে ঘুষিত হলো রাম রাজ্যের। সকল ভারত বাসী আজ থেকে সেই পবিত্র ধ্বজা তলে একত্রিত হয়ে দাড়াবে। সবাই সেই মর্যাদা সম্পন্ন রাম চন্দ্রকে হৃদয়ে ধারন করে পবিত্র জীবন-যাপন করবে, তবেই রাম মন্দির নির্মান সার্থক হবে।

আজকে যে আমরা রাম মন্দির পেয়েছি এবং এক আদর্শ জীবনের আহ্ববান পেয়েছি এটি সম্ভব হতো না যদি না আমাদের গরবিত কর সেবক তাদের জীবন বির্সজন না দিত। তাই মন্দিরে প্রভূকে প্রতিষ্ঠিত করার সাথে সাথে তার ভক্তদেরকে সম্মান দিয়ে একটি মান মন্দির নির্মাণ করা উচিত, তাতে মন্দির আরও গৌরবান্বিত হবে।

কর সেবকদের জন্য যে মান মন্দির বা মোরাল ওয়াল তৈরী হবে সেখানে তাদের বীরত্ব গাঁথা লেখা হবে। যে লেখা দেখে আমাদের আগামী প্রজন্ম কর সেবা করার জন্য অনুপ্রাণিত হবে। এতে করে নতুন নতুন কর সেবকের জন্ম হবে। মনে রাখতে হবে সামনে আমাদের আরও কর সেবকের প্রয়োজন হতে পারে।

কর সেবক গন তারা তাদের মূল্যবান জীবন দিয়ে তো এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন। মন্দির দর্শণের সুযোগও পায় নাই। তাই তাদের আত্মার শান্তির জন্য তাদের রেখে যাওয়া পরিবার বর্গের প্রতি আমাদের কিছু দায়িত্ব পালন করতে হবে। যা পাওয়া তাদের দয়া নয়, অধিকার।

যারা অবিবাহিত তাদের পিতা-মাতা এবং যারা বিবাহিত তাদের স্ত্রী-পুত্র-কন্যা অর্থাৎ পরিবারের নিকটতম ব্যক্তি গন এই ঐতিহাসিক মন্দিরের যেন আজীবন সদস্য হতে পারেন। তারা যেন বিশেষ ব্যবস্তায় মন্দির দর্শণ করতে পারেন এবং সম্ভব হলে সেই মন্দির পরিসরে দু-চার দিন বিনা খরচে থাকার বন্দ-বস্ত পায়।

আবার এই মহান কর সেবকদেরকে যিনি প্রশাসনে থেকে সাহায্য করেছিলেন সেই পূর্ব উত্তর প্রদেশের মুখ্য মন্ত্রী কল্যান সিংহ কে ভারতের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত করা হোক। ভারত রত্নের মতো পুরষ্কার দিতে পারলে তবেই তার প্রকৃত সম্মান দেখানো হবে।

আর রাম মন্দিরের বিরোধিতা কারী মোল্লা মোলায়েম ও তার সহযোগিদেরকে বিচারের সম্মুখিন করতে হবে। সেই বিচারে কিছু না হলেও সেই মৃত ব্যক্তিকে ধিক্কার জানাতে পারি।

হরি ওম

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top